ক্ষুধার যন্ত্রণা কেমন আমি জানিনা।তবে ক্ষুধা নিয়ে আমার জানা সবচাইতে জ্বালাময়ী পংক্তি হল- ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়,পুর্নিমার চাঁদ যেনও ঝলসানো রুটি।পৃথিবীর এক বিলিয়ন মানুষ ক্ষুধার যন্ত্রণা নিয়েই রাতে ঘুমাতে যান।আপনি হয়তো এদের আফ্রিকার লোক ভেবে করুণাবোধ করছেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য এদের অর্ধেকই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় তৎসংলগ্ন অঞ্চলের জনগণ।তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে সারা পৃথিবীজুড়ে মানবতার নসিহত করে বেড়ানো আমেরিকার ৫০ মিলিয়ন লোক খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নটা সামনে চলে আসে,গোটা বিশ্বকে খাওয়ানোর মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যশস্য কি নেই?উত্তর হল অবশ্যই আছে।শুধুমাত্র দক্ষও,স্বচ্ছ ও উপযুক্ত বিতরণ ও উৎপাদনব্যবস্থার অভাবহীনতাই এর জন্য দায়ী।যেমন স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ৬০ গুন বাড়লেও জনগণ বেড়েছে মাত্র দ্বিগুণ!
পৃথিবীর প্রতি ৭ জন লোকের একজন ক্ষুধার্ত ।এখন কেউ যদি ভাবেন যে যুদ্ধ কিংবা সংঘাত এর জন্য দায়ী তবে তা পুরোপুরি সঠিক নয়।মাত্র ৮ শতাংশ লোক যুদ্ধ কিংবা জরুরি অবস্থার জন্য ক্ষুধার্ত থাকেন।তাহলে কি প্রাকৃতিক দুর্যোগই কি এর জন্য দায়ী।একেও আপনি সর্বাংশে দায়ী করতে পারেন না।কারণ ১৯৯২ সালের পর হতে খরার মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের চাইতেও মানুষের যুদ্ধের কারনে ফসলের বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এর চাইতেও অনেক গুরুত্তপূর্ন ইস্যু রয়েছে অথবা আমার নিজের দেশের মানুষ যেখানে ক্ষুধার্ত সেখানে আমি বৈশ্বিক ক্ষুধা নিয়ে কেন ভাববো?হ্যাঁ যখন মানুষ ক্ষুধার্ত থাকে তখন অর্থনীতি,রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা সহ সর্বক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ে।এবং সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় শিশু,তরুণ এবং গর্ভবতী মহিলারা।ক্ষুধার্ত শিশুরা পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারে না,কিছু শিখতে পারে না এবং এভাবে একটি জাতি এভাবে পিছিয়ে পড়ে।
তাহলে আমাদের কি করার আছে?আমাদের সামর্থের মধ্যে নিজের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে কিছু করার সুযোগ আছে।ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের একটি সাইট আছে ফ্রি রাইস
এই সাইটে গিয়ে আপনি সহজ একটি প্রশ্নের উত্তর দিবেন এবং সেই সঠিক উত্তর দানের মাধ্যমে দশটি চাল পৌঁছে যাবে কোন ক্ষুধার্ত ব্যক্তির কাছে।সেখানে ইংরেজি ভোকাবুলারি,ভূগোল,কলা,বিজ্ঞান,রসায়ন,গণিত বিভিন্ন বিষয় রয়েছে।প্রশ্নের ক্রম সহজ হতে কঠিনতর হবে।উত্তর প্রদানের জন্য কোন নির্দিষ্ট সময় নেই অর্থাৎ আপনি উত্তর প্রদানের জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন।উত্তর ভুল হলে কোন সমস্যা নেই।দানের পরিমাণটা ক্ষুদ্র হলেও মন্দ নয়।কারণ আপনার এতে করে আপনিও উপকৃত হচ্ছেন।আর হ্যাঁ এই সাইটটি কিন্তু টাইমস সাময়িকীর বিবেচনায় অন্যতম সেরা শিক্ষামূলক সাইট ছিল।আশা করি আপনি আপনার জ্ঞান ক্ষুধা নামক দানবের পিছনে ব্যবহার করবেন
পৃথিবীর প্রতি ৭ জন লোকের একজন ক্ষুধার্ত ।এখন কেউ যদি ভাবেন যে যুদ্ধ কিংবা সংঘাত এর জন্য দায়ী তবে তা পুরোপুরি সঠিক নয়।মাত্র ৮ শতাংশ লোক যুদ্ধ কিংবা জরুরি অবস্থার জন্য ক্ষুধার্ত থাকেন।তাহলে কি প্রাকৃতিক দুর্যোগই কি এর জন্য দায়ী।একেও আপনি সর্বাংশে দায়ী করতে পারেন না।কারণ ১৯৯২ সালের পর হতে খরার মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের চাইতেও মানুষের যুদ্ধের কারনে ফসলের বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এর চাইতেও অনেক গুরুত্তপূর্ন ইস্যু রয়েছে অথবা আমার নিজের দেশের মানুষ যেখানে ক্ষুধার্ত সেখানে আমি বৈশ্বিক ক্ষুধা নিয়ে কেন ভাববো?হ্যাঁ যখন মানুষ ক্ষুধার্ত থাকে তখন অর্থনীতি,রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা সহ সর্বক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ে।এবং সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় শিশু,তরুণ এবং গর্ভবতী মহিলারা।ক্ষুধার্ত শিশুরা পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারে না,কিছু শিখতে পারে না এবং এভাবে একটি জাতি এভাবে পিছিয়ে পড়ে।
তাহলে আমাদের কি করার আছে?আমাদের সামর্থের মধ্যে নিজের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে কিছু করার সুযোগ আছে।ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের একটি সাইট আছে ফ্রি রাইস
এই সাইটে গিয়ে আপনি সহজ একটি প্রশ্নের উত্তর দিবেন এবং সেই সঠিক উত্তর দানের মাধ্যমে দশটি চাল পৌঁছে যাবে কোন ক্ষুধার্ত ব্যক্তির কাছে।সেখানে ইংরেজি ভোকাবুলারি,ভূগোল,কলা,বিজ্ঞান,রসায়ন,গণিত বিভিন্ন বিষয় রয়েছে।প্রশ্নের ক্রম সহজ হতে কঠিনতর হবে।উত্তর প্রদানের জন্য কোন নির্দিষ্ট সময় নেই অর্থাৎ আপনি উত্তর প্রদানের জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন।উত্তর ভুল হলে কোন সমস্যা নেই।দানের পরিমাণটা ক্ষুদ্র হলেও মন্দ নয়।কারণ আপনার এতে করে আপনিও উপকৃত হচ্ছেন।আর হ্যাঁ এই সাইটটি কিন্তু টাইমস সাময়িকীর বিবেচনায় অন্যতম সেরা শিক্ষামূলক সাইট ছিল।আশা করি আপনি আপনার জ্ঞান ক্ষুধা নামক দানবের পিছনে ব্যবহার করবেন
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন