১.ষোলশহর দুই নং রেল ক্রসিং গেইটএর উপর “মহানগর প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট” নামে কোম্পানির বিশাল এক বিলবোর্ড।যেখানে লেখা তাদের ZOHARA DIVINE নামে নতুন চালু হওয়া এক প্রজেক্ট যেখানে উদ্বোধনী বুকিং চলছে এবং এই সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেখানে বুকিং দিলে পুরো এপার্টমেন্টের FULL AIRCONDITIONING সম্পূর্ণ ফ্রি!আমি বেশ নিশ্চিত যে ঐ বিশাল ভবনের নিজস্ব কোন পাওয়ার জেনারেশান সিস্টেম নেই।যা আছে সেটা নামকাওয়াস্তে জেনারেটর ও আইপিএস।আমার ভেবে অবাক লাগছে যে ফুল এয়ারকন্ডিশনিং এর মত আদৌ এত গরম কি এই বাংলাদেশে কি পড়ে? এর পিছনে যে বিপুল ইলেক্ট্রিসিটি খরচ হবে সেটা নেওয়া হবে পিডিবি থেকে।ফলে গরমে হাঁস ফাঁস করবে আমাদের মত সাধারণ ছা পোষা মানুষরা আর বিলও গুনব তুলনামুলকভাবে তাদের চাইতে বেশি!শুধু কি তাই?ইলেক্ট্রিসিটির অভাবে আমি কিংবা আমার মত অনেকেই হয়তো এক্সামের জন্য ঠিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে না কিংবা অপারেশান আটকে যাবে কোন সরকারি হাসপাতালে অথবা কৃষক পারবে না সেচ দিতে।এরপরও রাষ্ট্র আমাদের দেওয়া ট্যাক্সের টাকায় ভর্তুকি দিবে কুইক রেন্টালে আর ইলেক্ট্রিসিটি নিবে ওইসব “টাকা দানব”রা।বলি এইসব অবিবেচকরা নিপাত যাক।জনগণের বিশাল এক অংশকে অন্ধকারে পিছিয়ে রেখে যারা আলোক সন্ধ্যায় মাতে তাদের যাতে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে।
২.বিবিসি বাংলার একটা অনুষ্ঠান আমি খুব মনোযোগ দিয়ে শুনি-সরাসরি মতামত প্রকাশের অনুষ্ঠান “লাইভ ফোন ইন”।অনুষ্ঠানের সময়টা খুব কম হলেও আমার মতে দেশের সবচাইতে সাবলীল ও প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান।দেশের নানা প্রান্তের এমনকি প্রবাসী বাংলাদেশীরাও এখানে ফোন করেন।গত সপ্তাহে মাহফুজ নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী ফোন করেছিলেন সেখানে।তখন মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত ১২টা।তিনি বলছিলেন সরকারি উদ্যোগে মালয়েশিয়াতে লোক পাঠানোর যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা যেন বাস্তবায়ন করা হয়।কারণ হচ্ছে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিরা প্রকৃত খরচের চাইতে অনেক বেশি টাকা নেয়।২০০৭ সালে এই প্রবাসী যখন মালয়েশিয়াতে আসেন তখন বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে খরচ ছিল মাত্র ৮০ হাজার টাকা।কিন্তু বেসরকারি যে এজেন্সির মাধ্যমে তিনি মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলেন ,তারা খরচ নিয়েছিল দুই লাখ ২০ টাকা!এখনেই শেষ নয়,এতগুলো টাকা নেওয়ার পরে রিক্রুটিং এজেন্সি তাদেরকে বাধ্য করেছিল ৮০ হাজার টাকার রশিদে স্বাক্ষর করার জন্য।
আমরা খুব ভালভাবেই জানি মিডল ইস্ট কিংবা পূর্ব এশিয়ার এই দেশগুলোতে যান বাংলাদেশের নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষেরা।তাদের থেকে টাকা চুষে নিতে যাদের বিবেকে বাধে না তারা তো মানুষ না বরং জানোয়ারের চাইতেও অধম কিছু।এরাই আবার সরকারকে হুমকি দিচ্ছে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার।সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার সহ অনেক অনেক ব্যাপারেই ত্যাঁদড়ামি করছে।অন্তত এই ব্যাপারে ও সরকার যদি তার “ঘাড়ত্যাঁড়ামি”টা ঠিক রাখে তাহলে শুধু এক দুই জন না অনেক গুলো মুখে হাসি ফুটবে,দেশ অনেক বেশি উপকৃত হবে।সরকারের সর্বাত্মক শক্তিশালী অবস্থান দেখতে চাই এই ইস্যুতে।আমার তরফ থেকে রইল আগাম স্যালুট!
২.বিবিসি বাংলার একটা অনুষ্ঠান আমি খুব মনোযোগ দিয়ে শুনি-সরাসরি মতামত প্রকাশের অনুষ্ঠান “লাইভ ফোন ইন”।অনুষ্ঠানের সময়টা খুব কম হলেও আমার মতে দেশের সবচাইতে সাবলীল ও প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান।দেশের নানা প্রান্তের এমনকি প্রবাসী বাংলাদেশীরাও এখানে ফোন করেন।গত সপ্তাহে মাহফুজ নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী ফোন করেছিলেন সেখানে।তখন মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত ১২টা।তিনি বলছিলেন সরকারি উদ্যোগে মালয়েশিয়াতে লোক পাঠানোর যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা যেন বাস্তবায়ন করা হয়।কারণ হচ্ছে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিরা প্রকৃত খরচের চাইতে অনেক বেশি টাকা নেয়।২০০৭ সালে এই প্রবাসী যখন মালয়েশিয়াতে আসেন তখন বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে খরচ ছিল মাত্র ৮০ হাজার টাকা।কিন্তু বেসরকারি যে এজেন্সির মাধ্যমে তিনি মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলেন ,তারা খরচ নিয়েছিল দুই লাখ ২০ টাকা!এখনেই শেষ নয়,এতগুলো টাকা নেওয়ার পরে রিক্রুটিং এজেন্সি তাদেরকে বাধ্য করেছিল ৮০ হাজার টাকার রশিদে স্বাক্ষর করার জন্য।
আমরা খুব ভালভাবেই জানি মিডল ইস্ট কিংবা পূর্ব এশিয়ার এই দেশগুলোতে যান বাংলাদেশের নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষেরা।তাদের থেকে টাকা চুষে নিতে যাদের বিবেকে বাধে না তারা তো মানুষ না বরং জানোয়ারের চাইতেও অধম কিছু।এরাই আবার সরকারকে হুমকি দিচ্ছে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার।সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার সহ অনেক অনেক ব্যাপারেই ত্যাঁদড়ামি করছে।অন্তত এই ব্যাপারে ও সরকার যদি তার “ঘাড়ত্যাঁড়ামি”টা ঠিক রাখে তাহলে শুধু এক দুই জন না অনেক গুলো মুখে হাসি ফুটবে,দেশ অনেক বেশি উপকৃত হবে।সরকারের সর্বাত্মক শক্তিশালী অবস্থান দেখতে চাই এই ইস্যুতে।আমার তরফ থেকে রইল আগাম স্যালুট!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন