শিবিরের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়াঃ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে তাদের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু হলো শান্তিকামী ছাত্র-তরুণদের প্রিয় কাফেলা “বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির” এর। শুরু হল একটি সুমধুর সঙ্গীতের শপথদীপ্ত অনুরণন –
“পদ্মা মেঘনা যমুনার তীরে আমরা শিবির গড়েছি
শপথের সঙ্গীন হাতে নিয়ে সকলে নবীজীর রাস্তা ধরেছি”
কিন্তু পাক্কা নয় বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও যখন কেউ তাদেরকে গণায় ধরে না,তখন তারা লুঙ্গি খুলে প্যান্ট পরা শুরু করলো!১৯৮৬ সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন এরশাদ কাকুর গুন্ডা বাহিনী জাতীয় ছাত্রসমাজের এক নেতার হাত কেটে নিজেদের জাত চিনিয়ে দিল যে-৭১ এ মানুষ কিন্তু আমরাই মারসিলাম!এরকম জায়গায় জায়গায় কয়েকটা লাশ ফেলার পড়েই মানুষ ও এদের কথা স্মরণ করতে লাগলো।রীতিমত লাইম্লাইট যাকে বলে,ঠিক সেই লাইটের নিচেই শিবিরের ভাইরা দা-কিরিচ নিয়ে ঘুরতে শুরু করলো।পাবলিসিটি না পাইয়া যাবে কই?একদিকে মানুষ খুন আরেকদিকে গ্রাম থেকে আসা ছেলেদেরকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার মাধ্যমে জাতীয় ছাত্র রাজনীতির দরিয়াতে শিবিরের নৌকা পাল তুলে চলতে লাগলো।এভাবেই যখন দিন এগুচ্ছিল তখন শিবিরের মনে হল,এবার রক্তের হাতটা একটু ধোয়া দরকার। কিন্তু কেমনে কি?ভালো মানুষ যে সাজতে হয়! যে-ই শিবির "রগ কাটা' বাণিজ্য ছাড়ল,ঠিক তখনই শিবিরের পক্ষে নতুন কোন ক্যাম্পাস আর দখল করা সম্ভব হল না।৮০'র দশকে দখল করা সেই চিটাগং আর রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হল।নিজেরা স্কুল কলেজ চালু করতে লাগলো ঠিকই তবে নতুন করে কোন ক্যাম্পাসের এক ইঞ্চি মাটিও দখল করা তাদের আর সম্ভব হয়নি।আসলে সত্যি কথা বলতে তরুণদের কিছু অংশ ছাড়া আর কেউই শিবিরের প্রতি খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি।
সম্ভবত যাত্রা শুরু করার পরে এখনকার মত এত বাজে অবস্থায় শিবির কক্ষনোই পড়েনি।অবস্থাটা এমন যে জামাত-শিবিরের হারানোর মত এখন আর কিছুই নেই। আজ যেই তান্ডবকে আমরা শিবিরের তান্ডব হিসেবে দেখছি সেই একই তান্ডব একদা ছাত্রদল-ছাত্রলীগ চালু করে ক্যাম্পাস থেকে ছাত্র ইউনিয়নকে খেদিয়ে দিয়েছিল।এবং কালের বিবর্তনে শিবিরও সেই মিছিলে যোগ দিয়েছে।ছাত্র সংসদগুলো বন্ধ করে যে 'পাপ' গণতান্ত্রিক সরকার শুরু করেছিল,সেই পাপের মাশুল হচ্ছে আজকের এইসব তান্ডব।যদি যথাসময়ে নির্বাচন গুলো ঠিক ঠাক মত হত,তবে বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসার আগেই শিবিরের কবর রচিত হত।এখন নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার সময় কবরের চিন্তা করতে করতেই বের হওয়া লাগে।এজন্য হয়তো শিবিরের ভাইরা মুফতে কিছু সওয়াব কামালেও কামাতে পারেন!জামাতের যুদ্ধ তো সবে শুরু!
“পদ্মা মেঘনা যমুনার তীরে আমরা শিবির গড়েছি
শপথের সঙ্গীন হাতে নিয়ে সকলে নবীজীর রাস্তা ধরেছি”
কিন্তু পাক্কা নয় বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও যখন কেউ তাদেরকে গণায় ধরে না,তখন তারা লুঙ্গি খুলে প্যান্ট পরা শুরু করলো!১৯৮৬ সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন এরশাদ কাকুর গুন্ডা বাহিনী জাতীয় ছাত্রসমাজের এক নেতার হাত কেটে নিজেদের জাত চিনিয়ে দিল যে-৭১ এ মানুষ কিন্তু আমরাই মারসিলাম!এরকম জায়গায় জায়গায় কয়েকটা লাশ ফেলার পড়েই মানুষ ও এদের কথা স্মরণ করতে লাগলো।রীতিমত লাইম্লাইট যাকে বলে,ঠিক সেই লাইটের নিচেই শিবিরের ভাইরা দা-কিরিচ নিয়ে ঘুরতে শুরু করলো।পাবলিসিটি না পাইয়া যাবে কই?একদিকে মানুষ খুন আরেকদিকে গ্রাম থেকে আসা ছেলেদেরকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার মাধ্যমে জাতীয় ছাত্র রাজনীতির দরিয়াতে শিবিরের নৌকা পাল তুলে চলতে লাগলো।এভাবেই যখন দিন এগুচ্ছিল তখন শিবিরের মনে হল,এবার রক্তের হাতটা একটু ধোয়া দরকার। কিন্তু কেমনে কি?ভালো মানুষ যে সাজতে হয়! যে-ই শিবির "রগ কাটা' বাণিজ্য ছাড়ল,ঠিক তখনই শিবিরের পক্ষে নতুন কোন ক্যাম্পাস আর দখল করা সম্ভব হল না।৮০'র দশকে দখল করা সেই চিটাগং আর রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হল।নিজেরা স্কুল কলেজ চালু করতে লাগলো ঠিকই তবে নতুন করে কোন ক্যাম্পাসের এক ইঞ্চি মাটিও দখল করা তাদের আর সম্ভব হয়নি।আসলে সত্যি কথা বলতে তরুণদের কিছু অংশ ছাড়া আর কেউই শিবিরের প্রতি খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি।
সম্ভবত যাত্রা শুরু করার পরে এখনকার মত এত বাজে অবস্থায় শিবির কক্ষনোই পড়েনি।অবস্থাটা এমন যে জামাত-শিবিরের হারানোর মত এখন আর কিছুই নেই। আজ যেই তান্ডবকে আমরা শিবিরের তান্ডব হিসেবে দেখছি সেই একই তান্ডব একদা ছাত্রদল-ছাত্রলীগ চালু করে ক্যাম্পাস থেকে ছাত্র ইউনিয়নকে খেদিয়ে দিয়েছিল।এবং কালের বিবর্তনে শিবিরও সেই মিছিলে যোগ দিয়েছে।ছাত্র সংসদগুলো বন্ধ করে যে 'পাপ' গণতান্ত্রিক সরকার শুরু করেছিল,সেই পাপের মাশুল হচ্ছে আজকের এইসব তান্ডব।যদি যথাসময়ে নির্বাচন গুলো ঠিক ঠাক মত হত,তবে বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসার আগেই শিবিরের কবর রচিত হত।এখন নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার সময় কবরের চিন্তা করতে করতেই বের হওয়া লাগে।এজন্য হয়তো শিবিরের ভাইরা মুফতে কিছু সওয়াব কামালেও কামাতে পারেন!জামাতের যুদ্ধ তো সবে শুরু!
